ইস্টার্ন টিউবস লিঃ বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি), শিল্প মন্ত্রণালয়
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩rd নভেম্বর ২০২০

এলইডি লাইট (সিকেডি) এ্যাসেমব্লিং প্ল্যান্ট ইন ইটিএল (১ম সংশোধিত)।

 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের মেয়াদকালে দেশের কাঠামোগত পরিবর্তন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন, দারিদ্র বিমোচনসহ জনমানুষের জীবনমান ও সামাজিক ক্ষেত্রে উন্নয়ন সাধনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি) এর নিয়ন্ত্রণাধীন ইষ্টার্ণ টিউবস লিমিটেড কর্তৃক “এলইডি লাইট (সিকেডি) এ্যাসেমব্লিং প্ল্যান্ট ইন ইটিএল (১ম সংশোধিত)” শীর্ষক প্রকল্পটি ৪৮২৮.১১ লক্ষ টাকা (সম্পূর্ণ জিওবি) ব্যয়ে জানুয়ারি ২০১৬ হতে ডিসেম্বর ২০২০ মেয়াদে বাস্তবায়ন চলমান রয়েছে। প্রকল্পটি ১৯-০১-২০১৬ তারিখে একনেক সভায় অনুমোদিত হয় এবং ২৭-০৪-২০১৬ তারিখে প্রশাসনিক আদেশ জারী করা হয় এবং ২০১৭ সালে প্রকল্পের নির্মান কাজ আরম্ভ হয়। পরবর্তীতে ১ম সংশোধিত ডিপিপি মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী কর্তৃক ১৫ মে ২০১৮ তারিখে অনুমোদিত হয় এবং ০৩ জুন ২০১৮ তারিখে প্রশাসনিক আদেশ জারী করা হয়।

 

ইষ্টার্ণ টিউবস লিমিটেড এ এলইডি লাইট (সিকেডি) সংযোজন প্ল্যান্ট বাস্তবায়িত হলে উক্ত লাইটিং সামগ্রীর আমদানী হ্রাস পাবে, বিদ্যুৎ ও বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। তাই স্বয়ংক্রিয় ও অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি/প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বেকারত্ব হ্নাসকরণ, বিদ্যুৎ সাশ্রয়, বৈদেশিক আমদানি হ্রাসকরণ এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের নিমিত্ত আলোচ্য প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

 

প্রকল্পের আওতায় ০৬ তলা ফ্যাক্টরি কাম অফিস ভবন নির্মান, লিফট, এসি, সাব-স্টেশন ও  জেনারেটর, অত্যাধুনিক অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা, সিসিটিভি সার্ভিলেন্স এবং এলইডি প্লান্টের মেশিনারী ও ইকুইপমেন্টসমূহ স্থাপন এবং এলইডি বাল্ব এর সিকেডি কাঁচামাল আমদানি সম্পন্ন হয়েছে।  ডিসেম্বর ২০২০ এর মধ্যে প্রকল্পটি বানিজ্যিকভাবে এলইডি বাল্ব ও টিউবলাইট উৎপাদন ও বাজারজাত করবে।

 

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে প্রান্তিক ব্যবহারকারী বৎসরে ৪ লক্ষ পিস এলইডি বাল্ব ও ৪ লক্ষ পিস এলইডি টিউবলাইট ব্যবহার করবে ফলে দেশের প্রায় ৮৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। আধুনিক প্রযুক্তির উন্নতির সাথে তাল মিলিয়ে উক্ত প্রকল্পের মেশিনারীজ দ্বারা নতুন-নতুন পণ্য (বিভিন্ন সাইজের প্যানেল লাইট, ফ্লাড লাইট, ষ্ট্রিড লাইট, আরজিবি লাইট, আন্ডার ওয়াটার লাইট) উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হলে দেশের অভ্যন্তরীন লাইটিং সামগ্রীর চাহিদার ৫০-৭০% পূরণ করা সম্ভব হবে।


Share with :

Facebook Facebook